রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২(নাচোল-ভোলাহাট-গোমস্তাপুর) আসনে বিএনপি ঘোষিত প্রার্থী ও সাবেক সাংসদ আমিনুল ইসলাম বিএনপির তৃণমূলের তোপের মুখে পড়েছেন। আমিনুলের প্রার্থীতা পুনঃবিবেচনা করা না হলে বিএনপি সাংগঠনিক ভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়বে।এদিকে তার মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে আবারো বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতা ও কর্মীসমর্থকগণ।
গত বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) রাতে গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর খোয়াড় মোড় থেকে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা একটি মশাল মিছিল বের করেন। উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র তারিক আহমেদের সমর্থকদের আয়োজিত এই মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সুইচগেইট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, যোগ্য নেতাদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত ও অযোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের “রাতের ভোটে” বিএনপির সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংসদে যাওয়া আমিনুল ইসলাম দল ও নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন না। বরং তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ও হামলার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। দ্রুত মনোনয়ন পরিবর্তন না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন তারা। মশাল মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন রহনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মনিমুল ইসলাম, উপজেলা শিল্প ও বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি সৈয়দ ফারুক হোসেন, গোমস্তাপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুসহ স্থানীয় নেতারা। বক্তারা বলেন, দলীয় ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থীদের উপেক্ষা করে বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়ে বিএনপির ভিত্তি দুর্বল করা হচ্ছে। তারা বলেন, স্থানীয়ভাবে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে; তাই দলের স্বার্থেই মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা জরুরি। এর আগে একই দাবিতে গত রোববার (১৬ নভেম্বর) নাচোল রেলস্টেশনে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। এরও আগে ১৫ নভেম্বর ভোলাহাট উপজেলায় এবং ১৪ নভেম্বর রাতে গোমস্তাপুরে মশাল মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসব কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতারা একই দাবিতে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
গত ১১ নভেম্বর নাচোল উপজেলা ও পৌর বিএনপি সমাবেশ করে আমিনুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিলের দাবি তোলে। তারা অভিযোগ করেন, মনোনয়ন প্রত্যাশী অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাদের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে। স্থানীয় রাজনীতিতে আমিনুল ইসলামের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা। মনোনয়ন প্রকাশের পর গত ৬ নভেম্বর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম তুহিন, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মাসউদা আফরোজ হক শুচি এবং গোমস্তাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র তারিক আহমদ যৌথভাবে সমাবেশ করে নির্বাচনে আমিনুল ইসলামকে বয়কটের ঘোষণা দেন। তারা জানান, দলকে শক্তিশালী করতে হলে যোগ্য প্রার্থী বাছাই অপরিহার্য; বিতর্কিত প্রার্থী দিলে গণসমর্থন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অনেকে সপক্ষ ত্যাগ করবে এতে বিএনপির ক্ষতি হবে।
এদিকে ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন এখন বিএনপির জন্য বিশেষ চাপের জায়গায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয় নেতারা আশা করছেন, হাইকমান্ড তাদের দাবি বিবেচনায় নিয়ে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করবে।
গত বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) রাতে গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর খোয়াড় মোড় থেকে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা একটি মশাল মিছিল বের করেন। উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র তারিক আহমেদের সমর্থকদের আয়োজিত এই মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সুইচগেইট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, যোগ্য নেতাদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত ও অযোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের “রাতের ভোটে” বিএনপির সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংসদে যাওয়া আমিনুল ইসলাম দল ও নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন না। বরং তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ও হামলার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। দ্রুত মনোনয়ন পরিবর্তন না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন তারা। মশাল মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন রহনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মনিমুল ইসলাম, উপজেলা শিল্প ও বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি সৈয়দ ফারুক হোসেন, গোমস্তাপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুসহ স্থানীয় নেতারা। বক্তারা বলেন, দলীয় ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থীদের উপেক্ষা করে বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়ে বিএনপির ভিত্তি দুর্বল করা হচ্ছে। তারা বলেন, স্থানীয়ভাবে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে; তাই দলের স্বার্থেই মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা জরুরি। এর আগে একই দাবিতে গত রোববার (১৬ নভেম্বর) নাচোল রেলস্টেশনে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। এরও আগে ১৫ নভেম্বর ভোলাহাট উপজেলায় এবং ১৪ নভেম্বর রাতে গোমস্তাপুরে মশাল মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসব কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতারা একই দাবিতে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
গত ১১ নভেম্বর নাচোল উপজেলা ও পৌর বিএনপি সমাবেশ করে আমিনুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিলের দাবি তোলে। তারা অভিযোগ করেন, মনোনয়ন প্রত্যাশী অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাদের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে। স্থানীয় রাজনীতিতে আমিনুল ইসলামের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা। মনোনয়ন প্রকাশের পর গত ৬ নভেম্বর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম তুহিন, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মাসউদা আফরোজ হক শুচি এবং গোমস্তাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র তারিক আহমদ যৌথভাবে সমাবেশ করে নির্বাচনে আমিনুল ইসলামকে বয়কটের ঘোষণা দেন। তারা জানান, দলকে শক্তিশালী করতে হলে যোগ্য প্রার্থী বাছাই অপরিহার্য; বিতর্কিত প্রার্থী দিলে গণসমর্থন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অনেকে সপক্ষ ত্যাগ করবে এতে বিএনপির ক্ষতি হবে।
এদিকে ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন এখন বিএনপির জন্য বিশেষ চাপের জায়গায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয় নেতারা আশা করছেন, হাইকমান্ড তাদের দাবি বিবেচনায় নিয়ে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করবে।
আলিফ হোসেন